doctor, jalpaiguri, rajganj, a young person died due to not understanding doctor's handwriting, ডাক্তার, জলপাইগুড়ি, রায়গঞ্জ, ডাক্তারের হাতের লেখা না বোঝার কারণে মৃত্যু এক যুবকের
অবাক কাণ্ড ! ডাক্তারের হাতের লেখা না বোঝার কারণে মৃত্যু রায়গঞ্জের এক যুবকের | ছবি - সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ ডিজিটাল ডেস্কঃ বর্তমানে প্রায়ই দুর্ঘটনার কথা শোনা যায় চারিদিকে। সম্প্রতি সেরকমই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে। পথ দুর্ঘটনায় খুবই শোচনীয় অবস্থা হয়েছিল রাজগঞ্জের মহিন রায় নামক এক তরুনের। তার বাড়ির লোকজন ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন-এর লেখা বুঝতে না পেরে রোগীকে বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর মৃত্যু হয় ওই যুবকের।

২৫শে ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিনের দিন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের মহিন নামক সেই তরুণ যুবক বাইকে করে তার দিদির বাড়ি যাচ্ছিল। সাথে ছিল এক বন্ধু। নিজের বাড়ি ফেরার সময়ে ঘটে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনা। তৎক্ষণাৎ দুই যুবককে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় রাজগঞ্জের মগরাডাঙি গ্রামীণ হাসপাতালে।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়য়া প্রেসক্রিপশনে ডাক্তার লেখেন – Refered to higher center। তার সাথে প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন তলপেটের আলট্রাসোনোগ্রাফি এবং হাটুর এক্সরে করার কথা।

প্রেসক্রিপশনের সেই লেখা বুঝতে না পারার কারনে তারা ভেবে নেয় যে ওই যুবক ভালো আছে। তাই তারা বাড়িতে ফেরত নিয়ে আসে রোগীকে। তবে সেদিনই রাত্রেবেলা হঠাৎ করে প্রচন্ড ব্যথা ওঠে মহিনের। তারপর আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে যায় তার শরীর। তখন গ্রামের মধ্যেই এক ডাক্তারকে ডাকলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। তবে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃৃত বলে ঘোষণা করে মহিনকে।

তবে এই ঘটনার জন্য ওই যুবকের গ্রামের লোকেরা অভিযোগ করে মগরাডাঙি গ্রামের হাসপাতালের ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখায় সেই হাসপাতালে গিয়ে। এরপর সেখানে আসেন রাজগঞ্জের বিধায়ক। তারা দাবি করেন সেই চিকিৎসক তাদের মুখে এই বিষয়ে কিছু বলেনি।

সব শুনে বিধায়ক উত্তরবঙ্গের মেডিকেল কলেজের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক অফিসারকে অভিযোগ জানান। এরপর ওই যুবকের দেহটিকে নিয়ে যাওয়া হয় ময়নাতদন্তে।  এই ঘটনার পর রাজগঞ্জের পানকৌড়ি গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।